ব্রেকিং নিউজ

ভিসার প্রস্তুতি

বাংলাদেশীদের জন্য ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে ১৫টি ভারতীয় ভিসা আবেদনপত্র কেন্দ্র (আইভ্যাক) আছে। সেগুলো ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক ), যশোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বগুড়া, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা এ অবস্থিত।

  • সব ধরণের ভারতীয় ভিসা ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ ছাড়া গ্রহণ করা হয়।
  • বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী যারা চট্টগ্রাম বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ, সিলেট বিভাগ, খুলনা বিভাগ ব্যতীত অন্যান্য বিভাগ বসবাস করছে, তারা আইভ্যাক, ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক ), আইভ্যাক, / আইভ্যাক, ময়মনসিংহ / আইভ্যাক, যশোর / আইভ্যাক, বরিশাল – এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। যেসব পাসপোর্টধারী চট্টগ্রাম বিভাগ এর বাসিন্দা কুমিল্লা, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া তারা আইভ্যাক, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। বাংলাদেশী নাগরিক, যারা রাজশাহী বিভাগে বাস করছে, তারা আইভ্যাক, রাজশাহী/ আইভ্যাক, রংপুর- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।
  • যারা সিলেট বিভাগে আওতাভুক্ত বসবাসকারী তারা সিলেট মিশন বরাবর আবেদন করবে।
  • যারা খুলনা জেলা আওতাভুক্ত বসবাসকারী তারা খুলনা মিশন বরাবর আবেদন করবে।
  • অন্যান্য বিদেশী নাগরিকরা আইভ্যাক, ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক ) এবং সহকারী ভারতীয় হাই কমিশন, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।
  • ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদেরও কোন ভিসা ফি প্রয়োজন নেই।
  • অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের ভিসা ফি দেওয়া প্রয়োজন যদি না তারা ভারত সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী ভিসা ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে অব্যাহতি পায়।
  • বাংলাদেশের যেকোন আইভ্যাক এ ভিসার জন্য আবেদন পত্র জমা দেয়ার আগেই আবেদনকারী সকল ব্যক্তিবর্গেরও ভিসা প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) পরিশোধ করতে হবে।
  • আপনি বাংলাদেশের নাগরিক হয় সত্ত্বেও যদি আপনার কাছে বৈদেশিক পাসপোর্ট থাকে তবে বৈদেশিক পাসপোর্ট দ্বারা ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে

আপনার আবেদন যে কারনে প্রত্যাখ্যান হতে পারেঃ

  • জীবনের জন্য হুমকীসরূপ কোন রোগে ভোগেন।
  • মানসিক রোগে ভোগেন এবং চিকিৎসা ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করেন।
  • নিজে মাদকাসক্ত বা মাদক পাচার করেন।
  • অপরাধী বা কোন দেশে কোন অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে থাকেন।
  • কোন দেশ হতে দ্বীপান্তুরিত বা বহিষ্কৃত হয়ে থাকেন।
  • অপর্যাপ্ত/ অসম্পূর্ণ/ মিথ্যা কাগজপত্র দিয়ে থাকেন।
  • অবৈধ ভ্রমণ নথির অধিকারী হয়ে থাকেন।
  • প্রাসঙ্গিক কোন তথ্য গোপন করে থাকেন।
  • অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে এমন কোন ভিত্তিতে, যা আবেদনকারীকে ভিসার জন্য অযোগ্য হিসাবে পেশ করবে, যার কারণ আবেদনকারীর কাছে মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করে জানানো হবে, এমন কোন কথা নেই।

ভারতে প্রবেশের শর্ত:-

  • বৈধ ভিসা থাকার পরেও ভারতে আপনার প্রবেশ রধ হয়ে যেতে পারে যদি মিথ্য বিবরণের মাধ্যমে ভিসা অর্জন করা হয় অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় গোপন করা হয়, আপনি সে বিষয়গুলোতে অবগত থাকেন বা না থাকেন।
  • আপনার আবেদনের দিন ও ভারতে প্রবেশের দিনের মধ্যে পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন ঘটলে।
  • একজন ইমিগ্রেশন অফিসার ভারতে আগমনের সাথে সাথে যে কাওকে মেডিকেল পরীক্ষা করাতে পারে, যদি সে প্রয়োজন বলে বিবেচনা করে।
  • আপনি অবশ্যই ভারতে কোন চাকরির বা আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা/ গবেষণার দায়িত্ব নিতে পারবেন না যদি না কর্মসংস্থান ভিসা বা যথাযথ ভিসা আপনাকে প্রদান করা হয়।
  • অবস্থানের বৈধ মেয়াদ শেষ হওয়ার মধ্যেই আপনাকে অবশ্যই ভারত ত্যাগ করতে হবে যদি না ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা আপনার অবস্থানের মেয়াদ সম্প্রসারণ করা যায়।
  • আপনাকে অবশ্যই নিকটবর্তী বিদেশীদের আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিস (এফআরআরও)-তে নাম নিবন্ধন করতে হবে, যদি মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসা ব্যতীত বাকী সব ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে ভারতে আপনার অবস্থান ছয় মাস মেয়াদ অতিক্রম করে। মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে, ভারতে আগমনের ১৪ দিনের মধ্যে নিকটবর্তী এফআরআরও)-তে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে এমন কোন ভিত্তিতে, যা আবেদনকারীকে ভিসার জন্য অযোগ্য হিসাবে পেশ করবে, যা আবেদনকারীর কাছে মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করে জানানো হবে, এমন কোন কথা নেই। কূটনৈতিক/ অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জারিকৃত কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী / অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীগণ এর ভারতে ভ্রমণ করা এবং ৪৫ দিন পর্যন্ত অবস্থান করতে কোন ভিসা প্রয়োজন হয়না। নিম্মলিখিত শ্রেণীর আবেদনকারীরা অনলাইনে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে এবং তাদের অনলাইন ভিসার আবেদন ব্যক্তিগতভাবে বা কোন বৈধ প্রতিনিধির মাধ্যমে ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা-তে কার্যদিবসগুলোতে ১০:০০ ঘটিকা থেকে ১৩:০০ ঘটিকার মধ্যে জমা দিতে পারে। এই আবেদনকারীদের অবশ্যই অনলাইনে একটি সাক্ষাতের দিন ধার্য্য করতে হবে এবং এ ধরণের আবেদনগুলি, যদি হাই কমিশনে আবেদন দাখিল করার তারিখ থেকে আরও পরেও সাক্ষাতের তারিখ পড়ে, তারপরেও গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

পাসপোর্ট বিতরণ: –

পাসপোর্ট বিতরণের জন্য টোকেন তারিখের পরে বা পরে টোকেন-র তারিখ সংগ্রহ করা যেতে পারে। টোকেন হারানোর ক্ষেত্রে, আবেদনকারীকে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডেইরি করতে হবে। জেনারেল ডেইরি (জিডি) আসল কপি,একটি আবেদন পত্র ও একটি ছবি কাউন্টারে জমা দেওয়ার পর পাসপোর্টটি বিতরণ করা হবে। আবেদনকারীর যদি পরিবার সদস্য (মা, বাবা, ভাই, বোন) পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে চায় , তাদের সাথে অবশ্যই তাদের পাসপোর্ট থাকতে হবে।

(১) সরকারী কাজের উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর আমলাদের ভারত ভ্রমণ- তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে।

(২) বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক/ অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীগণের (অন্যথায় যাদের ভারতে ভ্রমণের জন্য ভিসা অর্জনের প্রয়োজন) অফিসিয়াল কাজের উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ- তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশন কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে।

(৩) জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিগণের অফিসিয়াল কাজের উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই নিজ নিজ অফিস কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে।


= ভিসার জন্য আবেদন করতে যোগাযোগ করুন =

হটলাইন নম্বরঃ ০১৯৭৮৫৬৯২৯৩

ই-মেইলঃ visa@zoo.family

ওয়েবসাইটঃ www.ivac.com.bd

= ঠিকানা =

এয়ারওয়েজ অফিস

রোড ৩, হোল্ডিং ৩, সুইট ৩৪,

হ্যাপি আর্কেড শপিং মল, ধানমণ্ডি,ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ।

বিদেশীদের জন্য ভিসা প্রসেসিংঃ

  • সব শ্রেণীর ভারতীয় ভিসা, ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ/ ই-টোকেন ছাড়া গ্রহণ করা হয়। বিদেশী নাগরিকদের, বাংলাদেশে কর্মরত/বসবাসরত ব্যতীত, নিজ নিজ মাতৃভূমি বা সাধারণ বাসস্থানে অবস্থিত ভারতীয় মিশন/পোস্ট থেকে তাদেরও ভিসা অর্জনের পরামর্শ দেয়া হল। ভারতীয় হাই কমিশন বারিধারা, ঢাকা/ সহকারী ভারতীয় হাই কমিশন, চট্টগ্রাম স্বাভাবিক ভাবেই বাংলাদেশে কর্মরত/বসবাসরত বিদেশী নাগরিকদেরও ভিসার আর্জি গ্রহণ করে থাকে।
  • পাকিস্তানী নাগরিকদের, ভিসার মূল আবেদনপত্রের সাথে ৪টি ছবি সহ আবেদনপত্রের আরও ৩টি অনুলিপি/ কপি জমা দিতে হবে।
  • ভিসা ফি, একবার জমা হলে, আর ফেরত হয়না, এমনকি আবেদন যদি প্রত্যাহার করা হয় বা ভিসা যদি প্রত্যাখ্যাত হয়।
  • জমা দেয়ার জন্য যে অনলাইন ভিসার আবেদনপত্র, তার বর্তমান ঠিকানার ঘরে বাংলাদেশী ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানার ঘরে পাসপোর্ট অনুযায়ী পূরণ করতে হবে।
  • অনলাইন ভিসার আবেদনপত্রের সাথে বাংলাদেশী ভিসা, পাসপোর্টের প্রথম পাতা এবং শেষবারের ভারতীয় ভিসা (যদি থাকে)-র ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে।
  • পাসপোর্ট জমা দেয়ার সময়: ০৮.০০ থেকে ১৩.০০ ঘটিকা এবং বিতরণের সময়: ২৫.৩০ থেকে ১৭.০০ ঘটিকা।
  • অনলাইন আবেদনপত্রের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিচে লিখিত ঠিকানায় ব্যক্তিগতভাবে এসে দাখিল করা যেতে পারে

= ভিসার জন্য আবেদন করতে যোগাযোগ করুন =

হটলাইন নম্বরঃ ০১৯৭৮৫৬৯২৯৩

ই-মেইলঃ visa@zoo.family

ওয়েবসাইটঃ www.ivac.com.bd

= ঠিকানা =

এয়ারওয়েজ অফিস

রোড ৩, হোল্ডিং ৩, সুইট ৩৪,

হ্যাপি আর্কেড শপিং মল, ধানমণ্ডি,ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ।